গণভোট ও নির্বাচন উপলক্ষে আজ মধ্যরাত থেকে সারা দেশে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময় ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। ভোট গ্রহণের দিন বৃহস্পতিবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর আরও কড়াকড়ি আরোপ করেছে ইসি। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহণের পরদিন শুক্রবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ইসির স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। একই সঙ্গে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন—ওষুধ, চিকিৎসা ও সংবাদপত্র পরিবহনকারী যান চলাচল করতে পারবে।
বিমানযাত্রী ও তাদের আত্মীয়স্বজনের যাতায়াতের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। টিকিট বা প্রমাণপত্র দেখাতে পারলে বিমানবন্দরগামী ও বিমানবন্দর থেকে ফেরত যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
এছাড়াও সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং জরুরি কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
ইসি জানিয়েছে, দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন বা স্থানীয় পর্যায়ে দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলে বাধা নেই। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক ছোট যানবাহন রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।
টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। জাতীয় মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কেও সীমিত পরিসরে ছাড় থাকবে।
এদিকে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (এমটিসিএল) জানিয়েছে, ভোট গ্রহণের দিন মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। ভোটারদের সুবিধার্থে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।


















