ময়মনসিংহের ভালুকায় শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডে লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অন্যতম মূল হোতা মো. ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির সহযোগিতায় ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার দক্ষিণ হবিরবাড়ি (কড়ইতলা মোড়) এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইয়াছিন আরাফাত ভালুকার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও গত প্রায় ১৮ মাস ধরে তিনি উপজেলার কাশর এলাকায় শেখবাড়ি মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি টানা ১২ দিন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার দিন ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার মূল ভূমিকায় ছিল ইয়াছিন। তিনি উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দিয়ে দীপুকে মারধরের ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
পুলিশ জানায়, দীপুকে হত্যার পর তার নিথর দেহ রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে লাশ পোড়ানোর ঘটনায় ইয়াছিন আরাফাত সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, দেশজুড়ে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে এ পর্যন্ত মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


















