ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। নানা সমালোচনার মুখে গত সোমবার ফেসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও পরে তিনি সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন।
শনিবার বিকেলে সর্বমিত্র বলেন, শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগ চান না এবং এটিকে ‘গণবিরোধী’ হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, “এভাবে পদত্যাগ করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। তারা আমাকে বিরোধীপক্ষের কথায় কান না দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্রে পদত্যাগের বিষয়টি সমর্থন করা হয়নি। তবে গঠনতন্ত্রের কোন ধারা তার বক্তব্যের পক্ষে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি।
ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ১২(খ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো কার্যনির্বাহী সদস্য পদত্যাগ করলে বা অপসারিত হলে নির্ধারিত নির্বাচন পদ্ধতিতে শূন্য পদ পূরণ করা হবে।
গত বছরের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত হন সর্বমিত্র। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই একাধিক ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। সবশেষ গত মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে খেলতে আসা একদল কিশোরকে কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় তীব্র সমালোচনা হয়।
এছাড়া, এর আগেও ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান উচ্ছেদের সময় গভীর রাতে এক বৃদ্ধকে লাঠি হাতে শাসানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। চলতি মাসে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘিরে ছাত্রদল ও বাগছাসের সঙ্গেও বিবাদে জড়ান তিনি।
প্রথমে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও কয়েক দফা বক্তব্য পরিবর্তনের পর শেষ পর্যন্ত তিনি পদে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

















