আজ ২/১১/ ২০২৫ ইং রবিবার সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার উত্তর বংশীগুন্ডা ইউনিয়নের কালাগড় গ্রামের বাসিন্দা মাজেদা আক্তার (৪৮) নামের এক মহিলা তার একচোখ অন্ধ স্বামী লাল বাদশাকে সাথে নিয়ে মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে স্হানীয় ওয়াড মেমার আব্দুল মান্নানের অত্যাচার নির্যাতনের প্রতিবাদে, ন্যায় বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলনে তার বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমি একজন অর্ধঅন্ধ স্বামী মেয়েকে নিয়ে কালাগড় গ্রামে বসবাস করি। গত ১৩ /৬/২০২৫ ইইং তারিখে আমার ভাইয়ের ছেলে সম্রাট বয়স ২৪ বছর আব্দুল মান্নান মেম্বারের ভাতিজি ও মজিবুরের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার বয়স ২০ বছর তারা পরস্পরকে ভালোবেসে পালিয়ে বিবাহ করে। তিনি বলেন এই ঘটনার কিছুই আমি জানিনা। অথচই এই ঘটনার কারণেই প্রতিহিংসার প্রতিশোধের নেশায় মুজিবুর রহমান ও আব্দুর মান্নান মেম্বার এর নেতৃত্বে ২৩ /৯/ ২০২৫ তারিখে আমার পুকুর পাড়ের ২০-২৫টি গাছ কেটে ফেলে দেয় তাতে আমি নিষেধ করলে রাতে মান্নান মেম্বার ও মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমার বাড়িতে তারা প্রবেশ করে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করে আমাদেরকে তাড়িয়ে দেয়। প্রাণে বাঁচতে চিৎকার করে পালিয়ে গিয়ে একই গ্রামের জুবেদার বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করি।রাতেই মান্নান মেম্বার ও মজিবুরের নেতৃত্বে আমার ঘর থেকে ১৫ মণ চাউল ২২ মণ ধান, চুলার মটর ১টি, একটি বাইসাইকেল। গ্যাসের চুলা ও সিলিন্ডার, একটি সোনার চেইন দুটি রুপার চেইন। ২০টি হাঁস ২২টি মুরগি সহ মোট তিন লক্ষ টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
পরের দিন সকালেই ২৪ /০৯/ ২০২৫ তারিখে আমি থানায় মামলা দায়ের করি। পুলিশ স্বজমিনে তদন্ত করে মান্নার মেম্বারকে স্হানীয় নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে আমাকে আশ্বস্ত করেন। মান্নান মেম্বার তার প্রভাব কাটিয়ে নেতা কর্মীদের মাধ্যমে আমাকে ২০/২৫ হাজার টাকা দিয়ে ঘটনাটি ধামাপাচা দিতে চায়।
আমি বারবার ন্যায় বিচারের জন্য থানা সহ স্হানীয় নেতাদের কাছে ঘুরেছি। এখন আপনাদের সহযোগিতায় প্রশাসনেন মাধ্যমে ন্যায় বিচার ও আমার লুটপাট মালপত্রের ক্ষতিপূরণ চেয়ে আব্দুল মান্নান ও মজিবুর রহমানের বিচারের দাবি জানাই। **


















