ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে মাত্র দুইজন নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। তারা হলেন—সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা এবং মৌলভীবাজার-২ আসনে বাসদ (মার্কসবাদী) দলের সাদিয়া নৌশিন তাসনিম চৌধুরী। মোট ১০৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বাকি ১০২ জনই পুরুষ।
জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে নারীদের সক্রিয় ভূমিকার পরও বাস্তবে রাজনৈতিক দলগুলো নারীদের মনোনয়নে ব্যর্থ—এ নিয়ে নাগরিক সমাজ, নারী নেত্রী ও বিশিষ্টজনরা গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন।
- সংখ্যাগত বৈষম্য স্পষ্ট: নারী প্রার্থী মাত্র ~৩%—যা ‘জুলাই সনদ’ ও ঐক্যমত্যের আলোচনার (ন্যূনতম ৫%) সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
- দলীয় বাস্তবতা: বহু নারী মনোনয়ন চাইলেও শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ দল নারীকে প্রার্থী করেনি; কিছু দল একজনও দেয়নি।
- লুনার অবস্থান: এম. ইলিয়াস আলীর গুমের পর সিলেট-২-এ দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্তৃত্ব ও গ্রহণযোগ্যতার কারণে তাঁর মনোনয়ন ছিল প্রত্যাশিত।
- নৌশিনের ব্যতিক্রমী প্রভাব: তরুণ, নীতি-ভিত্তিক রাজনীতি ও মাঠপর্যায়ে ইতিবাচক সাড়া—দলীয় গণ্ডি ছাড়িয়ে সমর্থন পাচ্ছেন।
- নাগরিক সমাজের সমালোচনা: নারী ক্ষমতায়নের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থতা রাষ্ট্র ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
- ভবিষ্যৎ প্রশ্ন: নির্বাচনের পর সরকার ও সনদ-স্বাক্ষরকারীরা কি নারী প্রতিনিধিত্ব বাস্তবে বাড়াবেন, নাকি আন্দোলন অব্যাহত থাকবে?

















