এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাক্ষরিত আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে আহ্বায়ক করা হয় প্রফেসর বদিউজ্জামান ও সদস্য সচিব ড. মো. ইখতিয়ার উদ্দিনকে।
নিজ নাম প্রত্যাহারের চিঠিতে অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনেতা তারেক রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত। আমি জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন মানুষ। ইতোমধ্যে আমি ইউট্যাব ও জিয়া পরিষদ পবিপ্রবি শাখার সঙ্গে যুক্ত আছি। যেহেতু শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদ বিএনপির অনুমোদিত কোনো সংগঠন নয়, তাই এর সঙ্গে জড়িত থাকতে চাই না।’
তিনি আরও বলেন, ‘৩১ সদস্যবিশিষ্ট পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটিতে আমাকে কোনো প্রকার মতামত বা অনুমোদন ছাড়াই নাম যুক্ত করা হয়েছে, যা শিষ্টাচারবহির্ভূত।’
অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম আরও মন্তব্য করেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে সমর্থন করা মানেই নামসর্বস্ব কোনো সংগঠনের কমিটির অংশ হওয়া নয়। খালেদা জিয়ার ভিশন ২০৩০ এবং দেশনেতা তারেক রহমান প্রণীত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী হিসেবেই কাজ করাই আমার লক্ষ্য।’


















