বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে আসন সমঝোতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনের খানিক্ষণ পরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোটের প্রার্থীদের আসন সম্বলিত একটি তালিকা ছড়িয়ে পড়ে। যে তালিকাটির সাথে বাস্তবতার অনেকাংশেই ফারাক রয়েছে বলে জোট সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তালিকাটিতে ৩ টি আসন অমীমাংসিত রয়েছে বলে জানা গেছে। ৩ আসনের মধ্যে সিলেটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৩ ও রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, রাতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মামুনুল হক তার একটি ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন একাধিক আসনে এখনও প্রার্থী দেয়ার বিষয়টি অমীমাংসিত রয়ে গেছে। কিন্তু ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া তালিকায় সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতার নাম রয়েছে।
এদিকে, ছড়িয়ে পড়া তালিকায় সিলেট বিভাগের একটি আসনেও জাতীয় নাগরিক পার্টির কোন প্রার্থীকে জোটের তালিকায় রাখা হয়নি। বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সিলেট-৩ আসনটি নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি হয়েছে। এখানে জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপি নেতা ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদের নামই সর্বাগ্রে উচ্চারিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে গোটা সিলেট বিভাগের একটি মাত্র আসন রয়েছে যেটিতে এনসিপির প্রার্থীর বিজয়ী হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে, সেটি সিলেট-৩।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, এই আসনটি শেষ পর্যন্ত এনসিপিই পাবে। অর্থ্যাৎ দলটির কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট বিভাগের সবচেয়ে আলোচিত এনসিপি নেতা ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদেরই সম্ভাবনা বেশি। নির্ভরযোগ্য সূত্রটি বলছে, ছড়িয়ে পড়া তালিকাটি ধুম্রজাল সৃষ্টি করেছে। প্রকৃতপক্ষে, সিলেট-৩ সহ আরও একাধিক আসনের বিষয়ে এখনও জোট কোন মীমাংসা করতে পারেনি।

















