নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর প্রায় ২৪ বছর পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি)। নতুন মন্ত্রীসভায় কারা থাকছেন—তা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনার পাশাপাশি সিলেটেও চলছে জোর জল্পনা-কল্পনা।
বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয় পাওয়ায় সিলেট বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফলে এখানকার কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা মন্ত্রীসভায় ঠাঁই পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। অধিকাংশের নাম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেশি শোনা যাচ্ছে। এছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় এবং জোটসঙ্গী দল থেকেও একজন করে প্রতিনিধি থাকতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
সম্ভাব্য নামগুলো নিয়ে আলোচনা
১. খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর (সিলেট-১)
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আসন সিলেট-১ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষিত ও সজ্জন নেতা হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। মন্ত্রীসভায় তার অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
২. আরিফুল হক চৌধুরী (সিলেট-৪)
সাবেক সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র Ariful Haque Chowdhury এবার লক্ষাধিক ভোটে জয় পেয়েছেন। ভোটের মাঠে ‘ম্যাজিক ম্যান’ হিসেবে পরিচিত এ নেতাকে নতুন মন্ত্রীসভায় দেখা যেতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
৩. ড. রেজা কিবরিয়া (হবিগঞ্জ-১)
অর্থনীতিবিদ Reza Kibria সাবেক অর্থমন্ত্রী Shah AMS Kibrir-র ছেলে। বাবার মন্ত্রণালয়—অর্থ মন্ত্রণালয়েই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।
৪. জিকে গউছ (হবিগঞ্জ-৩)
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নেতৃত্বগুণের জন্য প্রশংসিত। নতুন মন্ত্রীসভায় তার নামও আলোচনায় রয়েছে।
৫. হুমায়ুন কবির (টেকনোক্রেট কোটা)
সিলেট-২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। বর্তমানে বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক যুগ্ম মহাসচিব। যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই নেতাকে টেকনোক্রেট কোটায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
৬. মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক (জোটসঙ্গী, টেকনোক্রেট কোটা)
সিলেট-৫ আসনে পরাজিত হলেও বিএনপি জোটের শরিক জমিয়ত নেতা মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।
এখনো কিছুই চূড়ান্ত নয়
তবে এসবই এখন পর্যন্ত আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণের পরই নিশ্চিতভাবে জানা যাবে সিলেট বিভাগ থেকে কারা নতুন মন্ত্রীসভায় স্থান পাচ্ছেন।

















