হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে দলীয় বিভক্তি প্রকাশ্যে এসেছে। এ আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও শিল্পপতি সৈয়দ মো. ফয়সাল। তবে তাঁর পরিবর্তে সাবেক নারী সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শাম্মী আক্তারকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
গত ৩ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭ আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিএনপি। ওইদিন হবিগঞ্জ-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় সৈয়দ মো. ফয়সালের নাম।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার পুরোনো ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিক্ষোভ করেন উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে কয়েক শ নেতা-কর্মী অংশ নেন। পরে তাঁরা চুনারুঘাট বাজার প্রদক্ষিণ করে সমাবেশ করেন।
চুনারুঘাট উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মারুফ আহমেদ বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাঁকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দিয়েছেন, তাঁর বয়স ৮০ বছরের বেশি। শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি তৃণমূলে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিতে পারবেন না। তাই আমরা সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করছি।’
পৌর ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুর রহমান বলেন, ‘দলের দুর্দিনে আমরা যখন মামলার ভারে জর্জরিত ছিলাম, তখন শাম্মী আক্তারই ছিলেন আমাদের পাশে। তিনি রাজপথের অগ্নিকন্যা—তাঁকেই প্রার্থী করা উচিত।’
পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহ প্রান্ত বলেন, ‘শাম্মী আক্তার রণাঙ্গনের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। দলের প্রাথমিক মনোনয়ন তাঁরই প্রাপ্য।’
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, ফয়সালের মনোনয়ন বহাল থাকবে কি না, তা এখন নির্ভর করছে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর


















