সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে। সিসিকের সব শাখায় ব্যয় সাশ্রয়ের চেষ্টা চলছে। তবে গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
তিনি বলেন, প্রকৌশলীরা নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মেরামত কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন। প্রতিটি যন্ত্রাংশের গুণগত মান, ওয়ারেন্টি এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে নগরীর তোপখানা এলাকায় সিসিকের পরিবহন শাখায় মেরামত কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও নবনির্মিত একটি আধুনিক শেডেরও উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
নতুন শেড নির্মাণ প্রসঙ্গে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, অতীতে বর্ষাকালে বৃষ্টিতে ভিজে এবং রোদে পুড়ে মেকানিকদের গাড়ি মেরামত করতে হতো। এখন থেকে এই শেডের ভেতরে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদে ও দ্রুত কাজ করতে পারবেন। এতে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে এবং কাজের গতি ও মানও বাড়বে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সিলেট সিটি করপোরেশনের গ্যারেজে পড়ে থাকা ২০টি অকেজো যানবাহন মেরামত করে পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে সিসিক। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নতুন যানবাহন কেনার তুলনায় প্রায় ১৪ কোটিরও বেশি টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ সজীব বলেন, নতুন যানবাহন ক্রয় করতে হলে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকা ব্যয় হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় থাকা যানবাহনগুলো মেরামতের মাধ্যমে মাত্র ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় ২০টি গাড়ি পুনরায় সচল করা সম্ভব হবে। এতে প্রায় ১৪ কোটিরও বেশি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ সজীব, সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ তামিম, জাবেরুল ইসলাম, শাফায়েত আহমদ ও সৈকত এবং উপসহকারী প্রকৌশলী রাজন মোহন দত্তসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

















