গ্লোবাল সিলেট ডট নিউজ ডেস্ক-
সিলেট জেলার বর্তমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি এবং আওয়ামী লীগের মাঠগত শক্তি ভিন্ন। জেলার রাজনীতির বর্তমান চিত্রের ভিত্তিতে সম্ভাব্য ভোটভাগ (শতকরা) অনুমান করা হয়েছে:
• বিএনপি — ৫৫%
• জামায়াত — ২৫%
• এনসিপি — ১৫%
• আওয়ামী লীগ — ৫%
• অন্যান্য / স্বাধীন প্রার্থী — ৫%
বিএনপি জেলা-স্তরে সবচেয়ে বিস্তৃত সংগঠনগত উপস্থিতি বজায় রেখেছে। দলটি নিয়মিত র্যালি দোয়া-মাহফিল এবং জনসংযোগ কর্মসূচি চালাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সরাসরি অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় নেতাদের সক্রিয়তা দলকে জেলা-স্তরে এগিয়ে রাখছে। উদাহরণস্বরূপ, BSS News উল্লেখ করেছে বিএনপি ৫ জুলাই ২০২৫-এ সিলেটে র্যালি ও দোয়া-মাহফিল আয়োজন করেছে। Daily Sun রিপোর্টে দেখা গেছে বিএনপি-এর র্যালিতে স্থানীয় নেতারা ব্যাপক উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত আঞ্চলিকভাবে শক্তিশালী এবং নির্বাচনী ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড স্তরে সক্রিয়। তারা স্থানীয় কর্মসূচি, মানববন্ধন ও র্যালির মাধ্যমে জনমত গঠন করছে। AP News রিপোর্ট করেছে জামায়াতের বড় র্যালি ও জনসংযোগ কার্যক্রম। TBS News অনুযায়ী, জামায়াত সিলেটে আঞ্চলিকভাবে সক্রিয় এবং স্থানীয় ইউনিটে প্রভাব বিস্তার করছে। জামায়াত মূলত আঞ্চলিক ভোটবেস ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে; জেলা-স্তরে বিএনপি-এর তুলনায় প্রভাব সীমিত হলেও, নির্দিষ্ট ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
এনসিপি শহুরে ও তরুণ ভোটারদের মধ্যে দ্রুত গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করছে। দলটি কমিটি গঠন, পদযাত্রা এবং র্যালি চালাচ্ছে। TBS News রিপোর্ট করেছে এনসিপি-এর “July March” ২৫ জুলাই সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। BSS News উল্লেখ করেছে এনসিপি জেলা-উপজেলা কমিটি গঠন করছে। এনসিপি-এর প্রভাব শহুরে কেন্দ্র এবং তরুণ ভোটে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে গ্রামীণ এলাকায় বিস্তার এখনও সীমিত।
আওয়ামী লীগ শহুরে এলাকায় কিছুটা প্রভাব বজায় রেখেছে। তবে, দলটি বর্তমানে নিষিদ্ধ এবং ভোটার উপস্থিতি কম। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে, আওয়ামী লীগ ২৯৯ আসনের মধ্যে ২২২টি আসন জিতেছিল, তবে ভোটার উপস্থিতি ছিল মাত্র ৪১.৮% । এছাড়া, Prothom Alo সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেছিল, যেমন:
• নির্বাচনী কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন
• দলীয় কর্মীদের প্রশিক্ষণ
• স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থন
তবে, দলটি বর্তমানে নিষিদ্ধ এবং ভোটার উপস্থিতি কম।
অন্যান্য / স্বাধীন প্রার্থী ভোটভাগ আনুমানিক ৫% হতে পারে। নির্বাচনী পরিস্থিতি ও মনোনয়ন প্রকাশের ওপর এটি পরিবর্তিত হতে পারে।
সারসংক্ষেপ: বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি জেলা-স্তরে সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সরাসরি অংশগ্রহণের কারণে এগিয়ে। জামায়াত আঞ্চলিকভাবে শক্তিশালী এবং নির্দিষ্ট ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রভাবশালী। এনসিপি শহুরে ও তরুণ ভোটারদের মধ্যে দ্রুত গ্রহণযোগ্যতা বাড়াচ্ছে; গ্রামীণ ভোটে এখনও সীমিত বিস্তার। আওয়ামী লীগ বর্তমানে নিষিদ্ধ এবং ভোটার উপস্থিতি কম; তাদের প্রভাব সীমিত। চূড়ান্ত ফলাফল মনোনয়ন, জোটনীতি ও নির্বাচনী ঘটনার ওপর নির্ভর করবে।
উৎসসমূহ (লিঙ্কসহ):
1. BSS News – বিএনপি র্যালি ও দোয়া-মাহফিল
2. Daily Sun – বিএনপি সিলেট র্যালি
3. BNP Official – বিএনপি রোড মার্চ
4. AP News – জামায়াতের বড় র্যালি
5. TBS News – এনসিপি এবং জামায়াতের আঞ্চলিক কার্যক্রম
6. BSS News – এনসিপি জেলা-উপজেলা কমিটি
7. Prothom Alo – আওয়ামী লীগের ভোটার উপস্থিতি
8. AP News – আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ফলাফল
9. Prothom Alo – আওয়ামী লীগের ভোটার উপস্থিতি
বিঃদ্রঃ প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং দলীয় পক্ষপাত নেই এবং সব তথ্য উৎসসহ সংকলিত।


















