ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নেতাদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে বিএনপি। বিদ্রোহী প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরাতে গুলশানে দলের কার্যালয়ে ডেকে পর্যায়ক্রমে বৈঠক করছে দলটি। এরই মধ্যে কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সুনামগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান মিজান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত বিএনপির ৮ জন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট-৫ আসনের চাকসু মামুনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বহিষ্কারও করা হতে পারে।
ইতোমধ্যে তথ্যগত ত্রুটির কারণে অন্তত ৩০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
বিএনপি নেতারা জানান, জনপ্রিয় ও পরীক্ষিত নেতাদের ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে রাজি করানোর চেষ্টা চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ একে একরামুজ্জামানও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।
দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া হলেও ভোলা-৪ আসনের সাবেক এমপি নাজিমউদ্দিন আলমকে চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, “তফসিল অনুযায়ী সময়সীমার মধ্যেই বিদ্রোহী প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন বলে আমরা আশাবাদী। অন্যথায় দল ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।”


















