বাংলাদেশে করিগরি ছাত্রআন্দোলনের ব্যানারে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা আবারও তাদের দাবি আদায়ে রাজপথে নেমেছে।
এ বিষয়ে সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী গ্লোবাল সিলেট কে জানান
শুরুর দিকে করিগরি ছাত্রআন্দোলন থেকে মোট ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
এর পর এসব দাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের পক্ষ থেকে পাল্টা ৩ দফা দাবি জানানো হয়।
মূল বিরোধ তৈরি হয় সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, অর্থাৎ উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদ নিয়ে।
এই পদটি ১০ম গ্রেডের একটি সরকারি চাকরি, যা নিয়ে ডিপ্লোমা ও বিএসসি দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ চলে আসছে।
এই জটিলতা নিরসনের উদ্দেশ্যেই উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির উপদেষ্টা ছিলেন ফজলুল করিমসহ সংশ্লিষ্টরা।
তবে অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এই কমিটি সরকারের কাছে একটি সুপারিশ জমা দেয়।
সুপারিশে বলা হয়
১০ম গ্রেডের সাব-ইঞ্জিনিয়ার বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ডিগ্রিধারীরা ৩৩ শতাংশ কোটা পাবে।
এই সুপারিশ ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা মানছেন না।
তাদের যুক্তি হলো
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য আগে থেকেই ৯ম গ্রেডে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদ নির্ধারিত রয়েছে।
সেখানে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের কোনো সুযোগ নেই।
সে অবস্থায় ১০ম গ্রেডের পদেও বিএসসি ডিগ্রিধারীদের কোটা দেওয়া হলে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা আরও বঞ্চিত হবেন।
সর্বশেষ ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট দাবি
যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারা সেই কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
কমিটির একতরফা কর্মকাণ্ড এবং সুপারিশ তারা মানবেন না।
অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করে বিষয়টি নতুন করে সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এই দাবিগুলো নিয়েই আবারও রাজপথে নেমেছে করিগরি ছাত্রআন্দোলনের ব্যানারের শিক্ষার্থীরা।
নাঈম/

















