চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সিলেট জেলার উদ্যোগে আজ সোমবার সন্ধ্যায় সিলেটের নজরুল একাডেমি মিলনায়তনে বাসদ মনোনীত সিলেট-১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রণব জ্যোতি পালের সাথে সিলেটের সংস্কৃতি কর্মীদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। চারণ সিলেট জেলা সাধারণ সম্পাদক মলয় চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের প্রধান পরিচালক শামছুল বাসিত শেরো, বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী বিজন কান্তি রায়, নাট্যজন নীলাঞ্জন দাস টুকু, নাহিদ পারভেজ বাবু, লোকসংগীত শিল্পী ইকবাল সাই, ঊষা সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়ের পরিচালক নিগার সাদিয়া তিথি, নাট্যকর্মী তন্ময় নাথ তনু, সংগীত শিল্পী আশরাফুল ইসলাম অনি, ভাস্কর জহর কুমার সিনহা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিলেট আর্ট এন্ড কালচার একাডেমির পরিচালক পাপলু চক্রবর্তী, গীতবিতান বাংলাদেশের পরিচালক অনিমেষ বিজয় চৌধুরী, যন্ত্রশিল্পী অপি অনিক, ধ্রুব ভট্টাচার্য, কবি মেকদাদ মেঘ, পল্লবী দাস মৌ, চারণ সিলেট জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন তালুকদার, হৃদি সিনহা, মৌমিতা দেব, প্রীতম দাস, মাহফুজ প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন চারণ সিলেট জেলা সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানা।
প্রণব জ্যোতি পাল বলেন, সিলেট সাংস্কৃতিকভাবে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল। এখানে সুফি বৈষ্ণব বাউল এই তিন ঘরনার মেলবন্ধনে পারষ্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে উঠেছে। এখানকার বাউল গান জগৎ বিখ্যাত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে এসব সংরক্ষণ, চর্চা ও বিকশিত করতে তেমন কোন উদ্যোগ বা আয়োজন আমরা অতীতে দেখিনি। সিলেটের কোন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব বিষয় চর্চা ও গবেষণা করার জন্যে বিষয়ভিত্তিক কোন বিভাগ নেই। এছাড়া সিলেটের সংস্কৃতিকর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণ আজও অধরাই রয়ে গেছে। ২৪এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উপর রাষ্ট্রীয় দমননীতি ও হয়রানি বৃদ্ধি কোনভাবেই আমাদের কাম্য ছিল না। আমরা মনে করি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড হতে হবে নির্বিঘ্ন ও ভয়ভীতিহীন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সাংস্কৃতিক জাগরণ ঘটাতে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে মই মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

















