নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে। কমিটিতে রয়েছেন ২ জন মন্ত্রী, ২ জন প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংশ্লিষ্ট ৭টি মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহদী আমিন এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ অন্যান্য সচিবরা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটিকে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে। কমিটিতে রয়েছেন ২ জন মন্ত্রী, ২ জন প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংশ্লিষ্ট ৭টি মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহদী আমিন এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ অন্যান্য সচিবরা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটিকে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

















