বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, “আমরা শান্তি চাই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কারো উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না।”
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত গণসংবর্ধনার মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে যেমন দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালেও ঠিক তেমনি সর্বস্তরের মানুষ একসঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। তিনি বলেন, “আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ও গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।”
দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই দেশে পাহাড়ের মানুষ, সমতলের মানুষ, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবাই একসঙ্গে বসবাস করে। আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এমন বাংলাদেশ, যেখানে নারী-পুরুষ-শিশু সবাই নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফিরতে পারবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদের সামনে বলতে চাই আই হ্যাভ এ প্ল্যান। আমি এই প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে চাই।”
এর আগে দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের দেওয়া সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার আগে তারেক রহমান জুতা খুলে মাটিতে পা রাখেন এবং হাতে একমুঠো মাটি নেন। এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। বিমানবন্দরে তাঁদের বরণ করে নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
বিমানবন্দর ত্যাগের পর লাল ও সবুজ রঙের বিশেষ বাসে করে তারেক রহমান পূর্বাচলের উদ্দেশে রওনা হন।


















