সিলেট অঞ্চলে আলোচিত ফাহিমা হ*ত্যা মামলার প্রধান আসামী জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফ. তারের পর থেকেই মামলার ত.দন্তে নতুন অগ্রগতি আসতে শুরু করেছে বলে দাবি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যান জাকির হোসেন। তিনি বিভিন্ন সময় অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। তবে প্রযুক্তিগত নজরদারি, স্থানীয় তথ্যদাতাদের সহায়তা এবং ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতার সময় তার কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা মামলার তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিছু অসংলগ্ন তথ্য পাওয়া গেছে এবং সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের সময়কার গতিবিধি, যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল কিনা, নাকি এর পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসাথে মামলায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা সেটিও গুরুত্ব দিয়ে ত.দন্ত করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও গ্রেফ .তার অভিযান চালানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত জাকির হোসেনকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। রিমান্ডে নিয়ে তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুরো ঘটনার চিত্র স্পষ্ট হতে পারে বলে আশা করছেন ত.দন্ত কর্মকর্তারা।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি-র দাবি জানিয়েছেন। নিহত ফাহিমার পরিবারও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, তারা ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।

















